সৌন্দর্য যখন বন বন্যে,
বন্য উপভোগ্য আনন্দ বা বিষন্নে।
বিষন্ন আমাবস্যার এই রাত্রি,
রাত্রি আলিঙ্গন আমি সুন্দর খোঁজের যাত্রী।
যাত্রী অন্য, যখন ঘুমন্ত
ঘুম হীন আমি,আর জল তরী ছুটন্ত।
ছুটন্ত তরী বাদা বনের বুক চিরে চলা স্রোতোবহা ধরে,
গহীন থেকে গহীন বনের শেষ প্রান্তরে।
যেখানে শেষ এই স্রোতোবহার,
সেইখানে শুরু সাগর দরিয়ার।
দরিয়ার মোহনার সুদৃশ্য,
অভয়ারণ্যের বন বন্য উপভোগই উদ্দেশ্য।
উদ্যেশ্য তবে অন্য সকলের,
আমি মুগ্ধ এই পূর্ন আমাবস্যা রাত্রি যাপনের ।
রাত্রি জেগে সময় ছুঁয়ে আমি ঘুমকে দিলাম ছুটি,
দেখি তখন অদ্ভুৎ সুন্দর কাছে আসা আকাশ-তাঁরার জুটি।
ঘুম! সেতো সৃতি বিহীন হারিয়ে যাওয়া সময়।
সময়’! সেতো স্থীর নয় তাইতো সৃতি জমিয়ে রাখতে হয়৷
সৃতি যদি হয় সুখ !
সেতো জটিল বেঁচে থাকার মূহুর্তের সুখ-সাথীর মুখ৷
অজানা মন ভুল ভাবে….
চন্দ্র হিন রাত আঁধার কালো হবে।
ভুল শুধরে চেয়ে দেখা…….
বিস্ময় চোখে মাখা…..
ক্ষুদ্র তারার সম্মিলিত আলোয়,
আলোর আভা ছড়ায়৷
শহর জঞ্জাল যন্ত্র মানুষ পাবে কি এই মঞ্জুল আভা!
সভ্যতায় বসে অসভ্যের মতো প্রকৃতিতে বসাও থাবা।
সভ্যযে শুধু বস্ত্র পরায় সভ্য সে আসলে নয়,
সৃষ্টিকে যে ভালোবাসে সভ্য যে সেই হয়৷
-মোঃ তানজির হোসেন (রুবেল)
সুন্দরবন-১২ই ডিসেম্বর ২০২০

